মা ইলিশ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে শরীয়তপুরের প্রশাসন – মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে শরীয়তপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা।নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে পদ্মা-মেঘনা নদীতে কোনো জেলে দেখা যায়নি। তবে নদী পাড়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে অসাধু কিছু জেলে জাল রেখেছিল। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন জালগুলো জব্দ করেছে।
মা ইলিশ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে শরীয়তপুরের প্রশাসন
রোববার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের পদ্মা নদীর পাড় থেকে জালগুলো জব্দ করা হয়। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পদ্মা নদীতে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়নে কার্যক্রম পরিচালনা করতে যায় জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভেদরগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা। এসময় নদীতে কোনো জেলেকে ইলিশ মাছ ধরতে দেখা না গেলেও নদী পাড়ে ইলিশ ধরার জাল দেখা যায়।

খবর নিয়ে জানা যায়, অসাধু জেলেরা মা ইলিশ ধরার উদ্দেশ্য প্রায় ২০ হাজার মিটার জাল নদী পাড়ে রেখেছে৷ পরে জালগুলো জব্দ করা হয়। জালের আশেপাশে কাউকে না পাওয়া যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি। মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থানে থাকায় কোনো জেলে নদীতে নামতে পারেনি।
এছাড়াও ভেদরগঞ্জ ও সখিপুর বাজারে কোনো ইলিশ পাওয়া যায়নি। অভিযানকালে বাজার কমিটির সভাপতিরা ইলিশ বিপণন না করার বিষয়ে প্রশাসনকে আশ্বস্ত করেন। শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কঠোর অবস্থানে থেকে অভিযান পরিচালনা চলছে। সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ সময় পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।