Site icon শরীয়তপুর জিলাইভ | truth alone triumphs

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শরীয়তপুর সড়কের কাজ শেষ হবে

শরীয়তপুর সড়কের কাজ শেষ – ২০২৬ সালের জুনের আগে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শরীয়তপুর শহরের ফায়ার সার্ভিস থেকে জাজিরা নাওডোবা পদ্মাসেতু গোলচক্কর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার সড়কটির কাজ শেষ হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক ও সড়ক বিভাগ।

 

নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শরীয়তপুর সড়কের কাজ শেষ হবে

 

সোমবার (২ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সড়ক ও সেতু পরিদর্শন করেন এবং ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে কাগজপত্র ও ম্যাপ দেখাশোনা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন। সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৭ কিলোমিটার সড়কটি ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ১৬৮২ কোটি ৫৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে তিনটি প্যাকেজের মাধ্যমে দুইটি সেতুসহ সড়কটির কাজ শুরু হয়।

প্রথম প্যাকেজটি শরীয়তপুর শহরের ফায়ার সার্ভিস থেকে জাজিরা টিএনটি মোড় পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়েছে ৮৫ ভাগ, দ্বিতীয়টি কোটাপাড়া সেতু ও কাজিরহাট সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৭০ ভাগ এবং তৃতীয় প্যাকেজটি জাজিরা টিএনটি মোড় থেকে নাওডোবা পদ্মাসেতু গোলচত্বর পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়েছে ৩৫ ভাগ।

তিনটি প্রকল্পের কাজের মেয়াদ দুই দফা শেষ হয়েছে। পরবর্তীতে কাজের মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল হোসেন বলেন, ‘শরীয়তপুর নাওডোবা পদ্মাসেতু প্রকল্পের সড়কটিতে ভূমি জটিলতার কারণে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে এখন সেই সমস্যা সমাধান হয়েছে। আরেকটি প্যাকেজের কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেরিতে পাওয়ায় কিছু ধীরগতি দেখা দিয়েছে। বর্তমানে ঠিকাদার অ্যাক্টিভ আছেন। আশা করছি প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের জুনের আগেই শেষ হবে।’

এ বিষয়ে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘শরীয়তপুর নাওডোবা পদ্মাসেতু সড়কটি জেলা অঞ্চলের লাইফলাইন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিলতার কারণে সড়কটির নির্মাণ কাজ বিলম্বিত হচ্ছিল, যার কারণে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল। বর্তমানে আমরা সেই দুর্ভোগ কমানোর জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছি এবং আশা করছি খুব শিগগির কাজটি শেষ করা হবে।’

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদুল আলম, সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী নাবিল হোসেন, গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Exit mobile version