আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় শরীয়তপুর জেলার ব্যবসা, শরীয়তপুর জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ।
শরীয়তপুর জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-
শরীয়তপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের (প্রস্তাবিত ফরিদপুর বিভাগের) একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। শরীয়তপুর জেলার আয়তন ১১৮১.৫৩ বর্গকিলোমিটার। এই জেলার উত্তরে মুন্সীগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরিশাল জেলা, পূর্বে চাঁদপুর জেলা, পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা। গড় তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস গড় বৃষ্টিপাত ২১০৫ মি মি। এটি মূলত চর এলাকা। শরীয়তপুর জেলা ৬ টি উপজেলা, ৭ টি থানা, ৫টি মিউনিসিপ্যালিটি, ৬৪টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৫টি ওয়ার্ড, ৯৩টি মহল্লা, ১২৩০টি গ্রাম এবং ৬০৭টি মৌজা নিয়ে গঠিত।

শরীয়তপুর জেলার ব্যবসা:-
এই জেলায় শিল্প কারখানা তেমন গড়ে উঠেনি। বর্তমানে এ জেলায় নিম্নোক্ত শিল্পগুলো আছে।
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প : (ক) ক্ষুদ্র শিল্প : ৪০৫ টি।
(খ) কুটির শিল্প : ৩১১৮ টি।
রাইস মিলের সংখ্যা : ০২ টি [ডামুড্যা ও নড়িয়া]।
স’মিলের সংখ্যা : ১৪৪ টি।
চাউলের কল : ১৬৪ টি।
আটার কল : ১১২ টি।
ময়দার কল : ৪ টি।
বরফের কল : ১৩ টি।
তেলের কল : ৩ টি।
ইট ভাটা : ৩০ টি।
বিসিক শিল্পনগরী, শরীয়তপুরঃ
বেসরকারী শিল্প উদ্যোক্তাদের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে শরীয়তপুর সদরে বিসিক শিল্পনগরী প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে বরাদ্দযোগ্য ১৪৯টি প্লট ১৪২ টি শিল্প ইউনিটের অনুকুলে বরাদ্দ প্রদান করা হয় । বর্তমানে শিল্প কারখানা চালু আছে। এসব শিল্প কারখানায় বছরে প্রায় কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য লোকের । এ শিল্পনগরী থেকে ভ্যাট, আয়কর ইত্যাদি বাবদ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বৎসরে প্রায় কোটি টাকা সরকারী কোষাগারে জমা হয়।
মহিলা শিল্প উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচীঃ
দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। নারীদের আয়বর্ধক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে জেলার উপজেলাগুলোতে মহিলা শিল্প উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচী চালু রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৫৯০৭ জন মহলিাকে ৪৮৬.৯৫ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে।


২ thoughts on “শরীয়তপুর জেলার ব্যবসা”